ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপোতে মনের বন্ধু

১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ১৬:০৬  
ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপোতে আগত দর্শনাধীদের মধ্যে প্রযুক্তি ব্যবহারে সচেতনতা তুলে ধরলো মনের বন্ধু। বাচ্চাদের স্ক্রিন আসক্তি থেকে পরিত্রাণের বিষয়ে অভিভাবক ও তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়ার নানা কৌশল বিষয়ে তুলে ধরেছেন সংগঠনটির স্বেচ্ছা সেবকরা। মেলা প্রাঙ্গনের প্রবেশ পথে হল অব ফেমের এ কোনে কয়েকজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনের বন্ধু স্টল থেকে সাইবার জগতে নিরাপদ থাকা, প্রযুক্তি আসক্তি, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতামূলক পরামর্শ দিয়েছে মেলায় আগত দর্শনার্থীদের। কেন কাউন্সেলিং বা মনঃসেবা প্রয়োজন, তাও তুলে ধরছে তারা। দর্শনার্থীদের নানা জিজ্ঞাসার জবার দিয়েছেন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সুমাইতা সাবা ও অ্যানি অ্যান্থনি বাড়ৈ। গেম ও স্মার্টফোন আসক্তি থেকে সন্তানকে মুক্ত করতে কী করতে হবে কিংবা কোথায় কাউন্সিলিং করানো যায় সে বিষয়ে জানতে বয়স্ক দর্শনার্থীদের অনেকের মধ্যেই ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। প্রদর্শনীতে আসা সত্তুর্ধ্ব সত্তুর্ধ্ব বৃদ্ধ কলিমুল্লাহ জানালেন, তিনি তার ৫ বছরের নাতিকে নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। সাইবার জগত নিয়ে অনেক তরুণীর মধ্যেও দেখা গেছে অস্থিরতা। তাদেরই একজন সাবিহা তামান্না। তিনি জানালেন, আমরা অনেক সময়ই ফেসবুকে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হই। তখন খুবই অস্থির হয়ে পড়ি। কী করতে হবে বুঝতে পারি না। এমন পরিস্থিতিতে ‘মনের বন্ধু’র এই উদ্যোগ সত্যি প্রশংসনীয়। মনের বন্ধু’র কার্যক্রম বিষয়ে সংগঠনটিরপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকতা তৌহিদা শিরোপা বললেন, সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়ে অনেকের মধ্যেই এক ধরনের ‘ট্রমা’ তৈরি হয়। তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের পরিচর্যার জন্য আমরা অনলাইনে কাজ করছি। মেলায় যেহেতু বিভিন্ন শ্রেণী, পেশা ও বয়সের মানুষ আসে, তাই তাদের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তুলতেই আমরা এবার মেলায় এসেছি। আমরা বিনা মূল্যে অনলাইনে বিশেষ করে ফেসবুক পেজ থেকে (https://www.facebook.com/AskMonerBondhu/?ref=bookmarks) কাউন্সিলিং দিচ্ছি। হটলাইন ০১৭৭৬৬৩২৩৪৪ নম্বরে ফোন করেও যে কেউ সেবা নিতে পারবেন। অল্পদিনের মধ্যেই স্কাইপ ও ম্যাসেঞ্জার ভিডিও কলেও এই সেবা চালুর কথা জানান তিনি।